নড়বড়ে বাজারে দাঁড়িয়ে শেয়ারে সাবধানে পা ও লগ্নির পরামর্শ
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: এবছর মার্চের শুরুর দিকে শেয়ার বাজারের ভিন্ন চেহারা ছিল। করোনার প্রভাব সেসময় ভারতে সেভাবে থাবা বসাতে পারেনি। অন্যান্য দেশে করোনা হানায় ভারতে ধরাশায়ী শেয়ার সূচক সেনসেক্স ও নিফটি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রথমে বুঝে নিতে হবে কখন শেয়ারে লেনদেন করবেন। সেইমতো ঠিক হবে শেয়ার কিনবেন, বেচবেন না ধরে রাখবেন। চোখ রাখতে হবে সূচকের ওঠা-নামায়।
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের দ্বিতীয়ার্ধে একবারই ৩,৫০০ পয়েন্টের মতো নেমেছিল সেনসেক্স। তবে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য ৬ মাসের বেশি সময় লাগেনি। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছে, করোনার আবহে মার্চে শেয়ারের বিপুল পতন ঘটেছে। তার আগে পর্যন্ত সেনসেক্সের দৌড় অস্বাভাবিক ছিল। দেশের অর্থনীতি চোট খেলেও সূচক তেমন পড়েনি। বাজার এখন অস্থির।
এরফলে সেই সংশোধন কবে হবে সেটা দেখার বিষয়। সেইমতো লগ্নির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। এক্ষেত্রে আরও বলা হয়েছে, প্রত্যেক লগ্নিকারীর ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা, পুঁজির জোর, শেয়ার ধরে রাখার সুযোগও আলাদা আলাদা প্রকৃতির। যাঁরা মার্চে সেনসেক্স ২৫০০০-এ নামার সময় ঠিকঠাক শেয়ার কিনেছেন, তাঁরা যদি লাভের লক্ষ্যে পৌঁছে থাকেন, সেক্ষেত্রে তা বিক্রির কথা ভাবতে পারেন।
আবার যাঁরা অনেক পূর্বেই দীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োগ করে রেখেছেন, সেক্ষেত্রে সংস্থা বিশেষে বিক্রির কথাও ভাবতে পারেন। অন্যদিকে আরও বলে হয়েছে, যাঁরা অনিশ্চিত বাজারকে লক্ষ্য করে শেয়ারে লগ্নি করতে আগ্রহী, তাঁরা আরও একটি বাজার পড়ার জন্য অপেক্ষা করতে পারেন। এক্ষেত্রে শেয়ার কী করে বাছাই করতে হবে, সেই পদ্ধতি এবং কোন শিল্পের কী অবস্থা তা জেনে নিতে হবে।

